Showing posts with label জানা-অজানা. Show all posts
Showing posts with label জানা-অজানা. Show all posts

ব্লু হোয়েল গেম আতঙ্ক নয়, দরকার সচেতনতা

ধাপে ধাপে প্ররোচিত করে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেওয়া কথিত অনলাইন গেম ব্লু হোয়েল (নীল তিমি) বাংলাদেশে খেলা হচ্ছে—এ ধরনের প্রামাণিক কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীতে একজন স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনার পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, ব্লু হোয়েল গেম খেলার কারণে ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। মূলত এর পরপরই ফেসবুকে ব্লু হোয়েল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পুলিশ ও মেয়েটির পরিবার নিশ্চিত করেছে, এই আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে ব্লু হোয়েল গেমের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। মেয়েটির মৃতদেহে গেমের বৈশিষ্ট্যের কোনো চিহ্ন ছিল না।

এদিকে ব্লু হোয়েল গেমের বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদকে এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আমরা শুনেছি, ইন্টারনেট-নির্ভর একটি গেমে আসক্ত হয়ে একজন আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে বিটিআরসির চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।’

মানসিক বিকারগ্রস্ত এক রুশ তরুণের তৈরি ব্লু হোয়েল এমন একটি অনলাইন গেম, যা ইন্টারেনেটে প্রকাশ্য কোনো ওয়েবসাইটে (পাবলিক ডোমেইন) পাওয়া যায় না। ইন্টারেনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি মো. আমিনুল হাকিম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই গেম কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ স্টোরে থাকে না। কারও কাছ থেকে পাওয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা (লিংক) থেকে গেমটি নামিয়ে (ডাউনলোড) নিয়ে খেলতে হয়। বাংলাদেশে কোনো নেটওয়ার্কে এখনো ব্লু হোয়েলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।’

এমন মরণঘাতী গেম এই প্রথম নয়; এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে স্ট্রেনজার মেন নামের একটি উইন্ডোজভিত্তিক গেম তৈরি করা হয়েছিল। সেটির কারণে দুজন গেম খেলোয়াড় মারা গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ বলেন, ব্লু হোয়েলের মতো গেম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ইনস্টাগ্রামসহ কয়েকটি মাধ্যমে এরই মধ্যে গেমটির লিংক বা ছবি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সুমন আহমেদ এই ব্লু হোয়েলকে গেম নয়, বরং একটি অপরাধচক্র হিসেবেই মনে করেন। এই গেম কারিগরিভাবে বন্ধ করার কিছু নেই, এটি ঠেকাতে হবে সামাজিক সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে। যাদের মধ্যে মানসিকভাবে আত্মহত্যার প্রবণতা রয়েছে, তারা যাতে এ গেম খেলতে না পারে, সে ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।

২১ বছর বয়সী রুশ ছাত্র ফিলিপ বুদেইকিন ২০১৩ সালে প্রথম ব্লু হোয়েল গেমটি তৈরি করেন। তাঁর পড়াশোনার বিষয় ছিল মনোবিজ্ঞান। এই গেম ২০১৬ সাল থেকে ছড়াতে থাকে। গেমটির মূল লক্ষ্য দুর্বলচিত্তের মানুষ, বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীরা। চলতি বছর পর্যন্ত রাশিয়া, ভারতসহ ব্লু হোয়েল খেলে বেশ কিছু আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর এসেছে। ইউটিউবের অনেক ভিডিওতেও এগুলোর কিছু নমুনা পাওয়া গেলেও তার বেশির ভাগই ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে।

ব্লু হোয়েল অন্য গেমগুলোর মতো ইন্টারঅ্যাকটিভ নয়। এই গেমে খেলোয়াড়ের কাছে লিখিত বার্তায় গেম প্রশাসকের নির্দেশনা আসে। সেখানে একটা একটা করে কাজের নির্দেশ বা চ্যালেঞ্জ থাকে। সে কাজটা করার পর ছবি তুলে বা ভিডিও করে গেম প্রশাসককে পাঠাতে হয়। এভাবে ৫০তম ধাপ বা ৫০তম দিনে সবশেষ নির্দেশটি আসে। এই নির্দেশ হলো আত্মহত্যা করার।

তথ্যপ্রযুক্তি নৈতিকতাবিষয়ক গবেষক ইউনিভার্সিটি অব ওলংগং ইন দুবাইয়ের সহযোগী অধ্যাপক জিনাত রেজা খান গতকাল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনো কোনো ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে বসে থাকা যাবে না। অপেক্ষা করার কোনো সুযোগই নেই। এই গেমের অস্তিত্ব বিশ্বে রয়েছে। ভারতে প্রামাণিক ভিডিও পাওয়া গেছে, যেখানে দেখা যায়, ব্লু হোয়েল খেলে আত্মহত্যা করেছে।’

জিনাত রেজা খান বলেন, ব্লু হোয়েলের নির্মাতা রুশ ছেলেটিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ছেলে মানসিক বিকারগ্রস্ত। সে মনে করে, যাদের মানসিক শক্তি কম, যারা বিষণ্নতায় ভোগে, তারা ‘বায়োলজিক্যাল ওয়েস্ট’। এসব ‘জঞ্জাল’ পৃথিবী থেকে দূর করাই নাকি তার উদ্দেশ্য। তাই মা-বাবাদের সচেতন হতে হবে। সন্তানকে সময় দিয়ে বুঝিয়ে বলতে হবে এ রকম গেমের চরম পরিণতি সম্পর্কে। শুধু মা-বাবা নয়, শিক্ষকদেরও এই গেম সম্পর্কে জেনে শিক্ষার্থীদের জানাতে হবে। সচেতনতা ছাড়া এ রকম পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যাবে না।

news: Prothom-alo
ADSENSENSE AD CODE

কী এই ব্লু হোয়েল গেম? জেনে নিন বিস্তারিত

ঢাকার সেন্ট্রাল রোডের স্কুল পড়ুয়া মেধাবী এক কিশোরীর আত্মহত্যার পর সম্প্রতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ইন্টারনেটভিত্তিক গেম 'ব্লু হোয়েল'। বলা হচ্ছে, এটি এমন একটি গেম যেখানে ঢোকা যায়, কিন্তু বের হওয়া কঠিন।


আর বের হতে না পারা মানা আত্মহনন দেওয়া। এখন আপনার প্রশ্ন আসতেই পারে, কি এমন গেম যে শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিতে হবে।
ব্লু হোয়েল মোটেও ইন্টারনেট ভিত্তিক অন্যান্য সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন কিংবা নিছক গেম নয়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক একটি ডিপওয়ে গেম। বলা হচ্ছে, যেসব কম বয়সী ছেলে-মেয়ে অবসাদে ভোগে, তারাই অসাবধানতাবশত এই গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কোনো ক্লান্তি বা বিষণ্নতা দূর করার গেম নয়। আত্মহত্যার প্রবেশ পথ মাত্র।

ব্লু হোয়েল গেমে ৫০টি লেভেল রয়েছে। এক বা একাধিক কিউরেটর দ্বারা পরিচালিত এই গেমের শেষ লেভেলের টাস্কগুলো খুবই ভয়ংকর। তবে প্রথম দিকের লেভেল ও তার টাস্কগুলো বেশ মজার হওয়ায় এই গেমের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়ে পড়েন কিশোর-কিশোরীরা। নিয়ম অনুযায়ী একবার এই গেম খেললে বের হওয়া যায় না। কেউ বের হতে চাইলেও তাদের চাপে রাখতে পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেয়া হয় বলে প্রচলিত আছে। 

এই গেমের বিভিন্ন ধাপে রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। যেমন ব্লেড দিয়ে হাতে তিমির ছবি আঁকা, সারা গায়ে আঁচড় কেটে রক্তাক্ত করা, কখনো ভোরে একাকি ছাদের কার্নিশে ঘুরে বেড়ানো, রেল লাইনে সময় কাটানো, ভয়ের সিনেমা দেখা ইত্যাদি। চ্যালেঞ্জ নেয়ার পর এসব ছবি কিউরেটরকে পাঠাতে হয়। ২৭তম দিনে হাত কেটে ব্লু হোয়েলের ছবি আঁকতে হয়। একবার এই গেম খেললে কিউরেটরের সব নির্দেশই মানা বাধ্যতামূলক। তার শেষের দিকের লেভেলে আত্মনির্যাতনমূলক বিভিন্ন টাস্ক সামনে এলেও কিশোর-কিশোরীরা এতটাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন যে, গেম ছেড়ে বের হতে পারে না। তবে গেমের শেষ ধাপ অর্থাৎ ৫০তম ধাপে ইউজারদের এমন কিছু টাস্ক দেওয়া হয়, যা সম্পূর্ণ করা মানেই আত্মহত্যা। আর এর মাধ্যমেই ঘটে গেমের সমাপ্তি।

বলা হয়, এই গেমিং অ্যাপ মোবাইলে একবার ডাউনলোড হয়ে গেলে তা আর কোনো ভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, ওই মোবাইলে ক্রমাগত নোটিফিকেশন আসতে থাকে যা ওই মোবাইলের ইউজারকে এই গেম খেলতে বাধ্য করে।
news: বিডি প্রতিদিন

মোবাইল পানিতে পরে গেলে আপনার যা করনীয়।

ধরুন, হঠাৎ করেই আপনার শখের এবং প্রয়োজনীয় মোবাইল ফোনটি পানিতে পরে গেল। সাধারণ ভাবেই রাজ্যের চিন্তা আর সেই সাথে বিরক্তি ভর করবে আপনার উপর। কিন্তু এরপরেই নিশ্চয়ই যে চিন্তাটুকু আপনার মাথায় আসবে তা হচ্ছে ‘মেকার এর কাছে নেয়া’। তবে কিছু কাজের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই নিজেই পানিতে পরে যাওয়া মোবাইল কিছুটা হলেও ভালো কন্ডিশনে নিয়ে আসা যায়, অন্তত মারাত্নক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়। চলুন, এরকম কিছু টিপস আপনাদের সাথে আজ শেয়ার করি।

মনে রাখবেন, পদ্ধতি গুলো সবই বেসিক পর্যায়ের এবং আমরা যেহেতু সবাই মোবাইল সার্ভিসিং-এর কাজ জানিনা তাই অন্তত এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণের মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রিয় ডিভাইসটিকে সর্বোচ্চ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারতিপ :

১। যত দ্রুত সম্ভব আপনার ফোনটি পানি থেকে তোলার ব্যবস্থা নিন। কেননা বিভিন্ন রকম পোর্ট যেমন, হ্যান্ডস ফ্রি কিট, মাইক্রোফোনের ছোট্ট ছিদ্র, চার্জিং বা ইউএসবি ক্যাবলের পোর্ট – ইত্যাদির মাধ্যমে খুব কম সময়েই অনেক পানি আপনার মোবাইল ফোনের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। তাই যত দ্রুত সম্ভব আপনার মোবাইল ফোনটি পানি থেকে তুলুন এবং বন্ধ করে দিন (সুইচ অফ করুন) এবং ব্যাটারী খুলে ফেলুন। কেননা, পানি থেকে তোলার পর যদি আপনার মোবাইল ফোনটি চালু অবস্থায় থাকে তবে পানির কারনে এতে শর্ট-সার্কিট হতে পারে।

২। পানি থেকে তুলে আনার পর যত দ্রুত সম্ভব মোবাইল ফোনটিকে একটি শুষ্ক তোয়ালে বা গামছা দিয়ে মুছে ফেলুন এবং মোবাইলের সাথে যদি অনান্য কোন অ্যাকসেসরিস যেমন রিং, ইয়ার বাড বা কভার – ইত্যাদি থেকে থাকে তা খুলে ফেলুন।

৩। মোবাইল থেকে আপনার সিম কার্ড এবং মেমরী কার্ডটি খুলে ফেলুন। যদিও, এগুলো পানিতে তেমন ক্ষতিগ্রস্থ হয় না তবুও ভেজা অবস্থাতে মোবাইলের মাঝে সিম কার্ড বা মেমরী কার্ড রাখার প্রয়োজন নেই।

যাদের ফোন খোলা যায় না তারা নিচের পদ্দতি অনুসরণ করুন :    

৪। এক্ষেত্রে যেহেতু আপনি ব্যাটারী খুলতে পারছেন না সেহেতু যত দ্রুত সম্ভব মোবাইলটি বন্ধ করে ফেলুন। আর যতটুকু সম্ভব মোবাইলের কম্পোনেন্ট গুলো আলাদা করে মুছে ফেলার চেষ্টা করুন।

৫। শুষ্ক গামছা বা কাপড় দিয়ে মোছার পর চাল বা সিলিকা জেলের মাঝে মোবাইলটি রেখে দিন বেশ কিছুটা সময় ধরে। মূলত যদি মোবাইলের সার্কিটটি আলাদা করে মোছা যায় তবে সফলতার সম্ভাবনা সবচাইতে বেশি থাকে।

অবশ্যই মনে রাখবেন…. পানিতে মোবাইল পরে গেলে অবশ্যই পানি বের করার জন্য মোবাইলটি ঝাকাবেন না।

বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি, সাধারণজ্ঞান

চাকরির প্রস্তুতি, বিসিএস পরীক্ষার প্রস্ততি, ভর্তিপরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সাধানণজ্ঞান। শেয়ার করে আপনার সংগ্রহে রেখে দিন।

সাধারন জ্ঞান

১।আমাদের দর্শনানুভূতি কোন আলোতে সবচেয়ে বেশি?
ক. লাল-কমলা      খ. বেগুনি-আকাশী
গ. হলুদ-সবুজ        ঘ. নীল-আসমানী

২।একটি যোগ করতে কম্পিউটারের ৫০ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগলে সেকেন্ডে এটা কতটি যোগ করতে পারে?
ক. ২ কোটি খ. ৩ কোটি গ. ৪ কোটি ঘ. ৫ কোটি

৩।মঙ্গল গ্রহে অবতরণ করা খেয়াযানটির নাম কী?
ক. ডিসকভারি         খ. ক্যাসিনি
গ. চ্যালেঞ্জার             ঘ. পাথফাইন্ডার

৪।কোনটি অটোফাইট নয়?
ক. জাম   খ. কাঁঠাল    গ. ব্যাঙের ছাতা     ঘ. লিচু

৫।গ্রেগর জোহান মেন্ডেল ছিলেন একজন-
ক. ধর্মযাজক  খ. সমাজবিজ্ঞানী
গ. জীববিজ্ঞানী  ঘ. রসায়নবিদ

৬।লসিকার বৈশিষ্ট্য কোনগুলো?
ক. ক্ষারীয়      খ. লোহিত রক্তকণিকা অনুপস্থিত
গ. শ্বেত রক্তকণিকা অনুপস্থিত
ঘ. উপরের ক ও খ উভয়ই

৭।পৃথিবী সৌরজগতের একটি-
ক. নক্ষত্র   খ. গ্রহ   গ. উপগ্রহ    ঘ. জ্যোতিষ্ক
৮।প্রাথমিক স্তরে শিশুর অন্তঃব্যক্তি বুদ্ধিমত্তার একটি বিশেষ লক্ষণ হল-
ক. অন্যের কাজে সাহায্য ও সহযোগিতা করা
খ. নিজে নিজে শিখতে চায়
গ. অনেক বন্ধু-বান্ধব থাকে
ঘ. দলে কাজ করতে পছন্দ করে

৯।পৃথিবী কোন বস্তুকে আকর্ষণ করলে তাকে কী বলে?
ক. অভিকর্ষ   খ. মহাকর্ষ     গ. আকর্ষণ     ঘ. বিকর্ষণ

১০।রক্ত জমাট বাঁধায় কোন কণিকা অংশ নেয়?
ক. লোহিত রক্তকণিকা               খ. শ্বেত রক্তকণিকা
গ. অণুচক্রিকা                           ঘ. অণুচক্রিকা ও লোহিত কণিকা

১১।কোন যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপ করা হয়?
ক. ব্যারোমিটার              খ. ল্যাকটোমিটার
গ. সিসমোগ্রাফ                 ঘ. রিখটার স্কেল

১২।কোন বস্তুকে চাঁদে নিয়ে গেলে তার ওজন-
ক. একই থাকবে                     খ. কমবে
গ. বেড়ে যাবে                         ঘ. থাকবে না

১৩।দুটি ঘরের তাপমাত্রা সমান কিন্তু আপেক্ষিক আর্দ্রতা যথাক্রমে ৫০% ও ৭৫% হলে কোন ঘরটি তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক হবে?
ক. প্রথমটি                                        খ. দ্বিতীয়টি
গ. একই রকম হবে                             ঘ. কোনটিই নয়

১৪।কোন পদার্থ প্রকৃতিতে কঠিন, তরল ও বায়বীয় এই তিন অবস্থাতেই পাওয়া যায়?
ক. লবণ        খ. পারদ                    গ. পানি               ঘ. কর্পূর

১৫।কম্পিউটারের কোনটি নেই?
ক. স্মৃতি                                খ. নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা
গ. বুদ্ধি-বিবেচনা                    ঘ. দীর্ঘ সময় কাজ করা

১৬।সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
ক. নাইট্রোজেন              খ. অক্সিজেন             গ. হিলিয়াম          ঘ. নিয়ন

১৭।কিসের সাহায্যে সমুদ্র ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয় করা যায়?
ক. শব্দের প্রতিফলন                       খ. শব্দের প্রতিধ্বনি
গ. আলোর প্রতিসরণ                       ঘ. আলোর সংকোচন

১৮।পরিবেশের সঙ্গে জীবদেহের সম্পর্ক সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে-
ক. ইভোলিউশন                               খ. এভিকালচার
গ. ইকোলজি                                      ঘ. আর্কিওলজি

১৯।প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে-
ক. জুওলজি                                খ. বায়োলজি
গ. ইভোলিউশন                              ঘ. জেনেটিক্স
২০।মঙ্গল গ্রহে প্রেরিত নভোযানের নাম-
ক. সয়্যুজ        খ. এপোলো           গ. ভয়েজার           ঘ. ভাইকিং
উত্তর : ১. গ ২. ক ৩. ঘ ৪. গ ৫. ক ৬. ঘ ৭. খ ৮. ঘ ৯. ক ১০. গ ১১. গ ১২. ক ১৩. ক ১৪. গ ১৫. গ ১৬. ক ১৭. খ ১৮. গ ১৯. ঘ ২০. ঘ
=================সংগ্রহ==============

চাকরির প্রস্ততির জন্য স্বাধারণ জ্ঞান।

চাকরির প্রস্ততির জন্য প্রয়োজনীয় স্বাধারন জ্ঞান। আপনার সংগ্রহে রাখুন, চাকরির রিটার্ন পরীক্ষা, ভাইভা, ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষ ইত্যাদির জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।
 সূর্যোদয়ের দেশ
উত্তরঃজাপান।
*************************
সমুদ্রের বধূ
উত্তরঃগ্রেট ব্রিটেন।

*************************
 সাদা রাশিয়া
উত্তরঃবেলারুশ।
.*************************
.“পার্ল অব অ্যান্টিলিজ” নামে পরিচিত
উত্তরঃকিউবা।
.*************************
 প্রেইরি তৃণভূমি অবস্থিত
উত্তরঃউত্তর আমেরিকা অঞ্চলে।
*************************
 বিশ্বের বৃহত্তম ক্রীড়াআসর
উত্তরঃঅলিম্পিক গেমস।
*************************
যে মাছ উড়তে পারে
উত্তরঃউড়ুক্কু মাছ
*************************
“মেমোগেট” কেলেঙ্কারিতে জড়িত দেশ
উত্তরঃপাকিস্তান।
.*************************
 কাশ্মীরের সর্বশেষ মহারাজা
ছিলেন
উত্তরঃহরি সিং।
*************************
“স্ট্যাচু অব পিস” অবস্থিত
উত্তরঃনাগাসাকিতে।

*************************
📝ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর?
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন।
*************************
📝ফজলুল হকের পূর্ন নাম?
আবুল কাসেম ফজলুল হক।
*************************
📝শের-ই-বাংলা উপাধি কারা প্রদন করে?
মুসলমান জনগণ।
*************************
📝বাংলাকে প্রথম কবে বিভক্ত করা হয়?
১৯০৫সালে।
*************************
📝'আমার সোনার বাংলা' গানটি কত সালে রচনা করা হয়?
১৯০৫সালে।
*************************
📝নেহেরু রিপোর্টের প্রস্তাবক?
পণ্ডিত মতিলাল নেহেরু।
*************************
📝সাইমন কমিশন কত সালে গঠিত হয়?
১৯২৭সালে।
*************************
📝১৪ দফা পেশ করেন?
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
*************************
📝কত সালে কংগ্রেস গঠিত হয়?
১৮৮৫ সালে।


আরও জানতে আমাদের সাথেই থাকুন,.....................

স্বাধারন জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর দেশ ভিত্তিক

যেকোন চাকরী বা ভাইভার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় কিছু স্বাধারণ জ্ঞান।

গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর দেশ ভিত্তিক!!!


আমেরিকা

১।জাতিসংঘের সদর দপ্তর= নিউইয়র্ক
২। UNDP এর সদর দপ্তর= নিউইয়র্ক
৩ UNICEF এর সদর দপ্তর= নিউইয়র্কে
৪। ইউএন উইমেন (UN Women) এর সদর দপ্তর=নিউইয়র্ক
৫। AP এর সদর দফতর= নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
,
৬। World Bank এর সদর দপ্তর=ওয়াশিংটন ডিসি
৭।IMF এর সদর দপ্তর= ওয়াশিংটন ডিসি
৮!IDA ( Int’l Development Association) এর সদর দপ্তর= ওয়াশিংটন ডিসি



বৃটেন

৯।কমনওয়েলথ এর সদর দফতর=লন্ডন
১০ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয় – হোয়াইট হল, লন্ডন
১১। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর সদর দপ্তর= লন্ডন
১২। রয়টার্সের সদর দপ্তর= লন্ডন, ব্রিটেন।.



সুইজারল্যান্ড 

১৩।আন্তজার্তিক রেডক্রস এর সদর দপ্তর= জেনেভা।
১৪। ২১। WHO এর সদর দপ্তর=জেনেভা
১৫।WTO এর সদর দপ্তর= জেনেভা।
১৬। WLO এর সদর দপ্তর= জেনেভা
১৭।ILO-এর সদর দফতর= জেনেভা।
১৮।WIPO এর সদর দপ্তর=জেনেভা
১৯ ।UNCTD এর সদর দপ্তর= জেনেভা
২০।ITU (Int’l Telecommunication Union) এর সদর দপ্তর= জেনেভা


বেলজিয়াম 


২১।ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর= ব্রাসেলস, বেলজিয়াম 
২২। NATO এর সদর দপ্তর= ব্রাসেলস, বেলজিয়াম



অস্ট্রিয়া 

২৩। IAEA এর সদর দপ্তর=ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
২৪।OPEC এর সদর দপ্তর= ভিয়েনা,অস্ট্রিয়া
২৫। UNIDO এর সদর দপ্তর=ভিয়েনা,অস্ট্রিয়া



হেগ , নেদারল্যান্ড 

২৬।ICJ ( International Court of Justice) এর সদর দপ্তর=হেগ
২৭।OPCW (Organisation for the Prohibition of ChemicalWeapons) এর সদর দপ্তর= হেগ
২৮।আন্তর্জাতিক আদালতের সদর দপ্তর= হেগ


ফ্র্যান্স 

২৯।ইন্টারপোল সংস্থার সদর দপ্তর= লিও, ফ্র্যান্স
৩০। AFP এর সদর দপ্তর= প্যারিস, ফ্রান্স।
৩১।UNESCO’ এর সদর দপ্তর= প্যারিসে


ইতালি 


৩২। জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থা ইফাদ (IFAD) এর সদর দপ্তর= রোম,ইতালি
৩৩।FAO এর সদর দপ্তর=রোম , ইতালি



চীন 

৩৪।NDB সদর দপ্তর- সাংহাই , চীন
৩৫।AIIB সদর দপ্তর- বেইজিং, চীন
.
৩৬। IRRI-এর সদর দপ্তর= লস ব্যানোস,ফিলিপাইন
৩৭।এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দফতর=ম্যানিলা,ফিলিপাইন
৩৮।ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দফতর= জেদ্দা, সৌদি আরব
৩৯।OIC এর সদর দফতর= জেদ্দা,সৌদি আরব

৪০।BIMSTEC এর সদর দপ্তর= ঢাকা
৪১।‘সিরডাপ’ (CIRDAP) এর সদর দপ্তর =ঢাকা
৪২। সার্কের সদর দপ্তর=নেপাল (কাঠমুন্ডু)
.
৪৩।D-8 (Developing 8) এর সদর দফতর=ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
৪৪।UNU (United Nation University)= টোকিও, জাপান।
.
৪৫।ফিফার (FIFA) সদর দপ্তর= জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
৪৬। আইসিসি এর সদর দপ্তর=দুবাই, (ইউনাইটেড আরব আমিরাত)
৪৭। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালে র সদর দপ্তর=বার্লিন,জার্মানি।
৪৮।PLO এর সদর দপ্তর= রামাল্লা, ফিলিস্তিন
.
৪৯।NAM এর সদর দপ্তর=সদর দপ্তরবিহীন
৫০।G-8 এর সদর দপ্তর=সদর দপ্তরবিহীন
৫১।G-77সদর দপ্তর=সদর দপ্তরবিহীন


আরও জানতে আমাদের সাথে থাকুন।

বাংলা সাহিত্য বিষয়ক সাধারন জ্ঞান

বাংলা সাহিত্য বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান। সেয়ার করে আপনার সংগ্রহে রেখে দিন। চাকরি, ভাইভা ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য সাধারন জ্ঞান।

সাধারন জ্ঞান


১. ‘রিক্তের বেদন’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে ?
উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।


*********************
২. ‘রৌদ্র করোটিতে’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
উঃ শামসুর রহমান।


*********************
৩. রবীন্দ্রনাথের রচিত প্রথম সার্থক ছোটগল্প কোনটি ?
উঃ দেনা- পাওনা।


*********************
৪. ‘চিত্রাঙ্গদা’ রবীন্দ্রনাথের কোন শ্রেণীর রচনা?
উঃ নৃত্যনাট্য।


*********************
৫. ‘রাইফেল রুটি আওরাত’ গ্রন্থটির রচনা করেন কে ?
উঃ আনোয়ার পাশা।


*********************
৬. ‘রূপসী বাংলা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ জীবনানন্দ দাস।


*********************
৭. রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্যের নাম কি ?
উঃ বনফুল।


*********************
৮. ‘বনফুল’ কাব্য কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উঃ জ্ঞানাঙ্কুর।


*********************
৯. ‘রাশিয়ার চিঠি’ রবীন্দ্রনাথের কোন শ্রেনীর রচনা ?
উঃ ভ্রমন কাহিনী।


*********************
১০. রবীন্দ্রনাথের ‘জুতা আবিস্কার’ কোন শ্রেনীর কবিতা ?
উঃ বিদ্রুপাত্মক।


*********************
১১. ‘রৌদ্র করোটিতে’ শামসুর রাহমানের কোন ধরনের রচনা?
উঃ কাব্যগ্রন্থ।


*********************
১২. ‘রূপছন্দা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে ?
উঃ শাহাদাৎ হোসেন।


*********************
১৩. ‘শূন্যপূরণ’ এর রচয়িতা কে?
উঃ রামাই পন্ডিত।


*********************
১৪. ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের কোন ধরনের রচনা?
উঃ উপন্যাস।


*********************
১৫. শরৎচন্দ্রের আত্মচরিত্রমুলক গ্রন্থ কোনটি?
উঃ শ্রীকান্ত।


*********************
১৬. ‘শকুন্তলা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।


*********************
১৭. ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটকের রচয়িতা কে?
উঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত।


*********************
১৮. ‘জননী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
উঃ শওকত ওসমান।


*********************
১৯. ‘মসনদের মোহ’ নাটকের রচয়িতা কে?
উঃ শাহাদৎ হোসেন।


*********************
২০. ‘সংশপ্তক’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ শহীদুল্লাহ কায়সার।


*********************
২১. ‘সারেং বৌ’ গ্রন্থের লেখক কে?
উঃ শহীদুল্লাহ কায়সার।


*********************
২২. ‘সোজন বা দিয়ার ঘাট’ কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন কে?
উঃ জসীম উদ্দিন।


*********************
২৩. সনেটের পংক্তি সংখ্যা এবং প্রতি পংক্তিতে অক্ষর সংখ্যা কতটি?
উঃ ১৪ টি পংক্তি এবং ১৪ অক্ষর।


*********************
২৪. সৈয়দ মুজতবা আলীর খ্যাতি হয় কিসের জন্য?
উঃ ব্যাঙ্গাত্মক রচনার জন্য।


*********************
২৫. ‘সধবার একাদশী’ প্রহসের রচয়িতা কে?
উঃ দীনবন্ধু মিত্র।


*********************
২৬. ‘সুলতানার স্বপ্ন’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ বেগম রোকেয়া।


*********************
২৭. ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যটি কার রচনা?
উঃ বিহারীলাল চক্রবর্তী।


*********************
২৮. ‘সঞ্চয়িতা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


*********************
২৯. ‘সঞ্চিতা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।


*********************
৩০. ‘সঞ্চয়ন’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উঃ কাজী মোতাহার হোসেন।

আরও জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।